ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচ আবার দেখতে চান শোয়েব,আইপিএল এর নতুন দুইদল এবং আফগানিস্তানের অসাধারণ জয়।

ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচ আবার দেখতে চান শোয়েব

ইন্ডিয়া পাকিস্তান image collected and edited for reuse
ইন্ডিয়া পাকিস্তান

বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারত-পাকিস্তানের কাছে না হারলেও এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই বাবর আজমের দলের কাছে ১০ উইকেটের হার দেখতে হয়েছে বিরাট কোহলিদের। এমন হারের পর ভারতের দলের সমালোচনায় ব্যস্ত দেশটির গণমাধ্যমগুলো। এমন পরিস্থিতিতে ভারতের গণমাধ্যমের সমালোচন করেছেন শোয়েব আখতার। পাকিস্তানের সাবেক এই গতি তারকা জানিয়েছেন যে, ক্রিকেটে এমনটা হতেই পারে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারত-পাকিস্তানের লড়াই মানেই যেন পাকিস্তানের হার, ভারতের উৎসব। আইসিসির টুর্নামেন্টের পরিসংখ্যান অবশ্য সে কথাই বলছে। এই ম্যাচে খেলতে নামার আগে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বশেষ ৫ দেখার সবকটিতেই হেরেছে পাকিস্তান। তবে সময় বদলেছে, পাকিস্তানও নিজেদের গুছিয়ে নিয়েছে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এবারের আসরে এসে নিজেদের হারের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে এসেছে পাকিস্তান। বিশ্বকাপ মিশনের ম্যাচে ভারতকে ১০ উইকেটে হারিয়েছে বাবর আজমের দল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের যা প্রথম জয়। শাহিন শাহ আফ্রিদির দুর্দান্ত বোলিংয়ে শুরু থেকেই ভারতকে চেপে ধরেছিল পাকিস্তান। নিজের প্রথম দুই ওভারে লোকেশ রাহুল ও রোহিত শর্মাকে ফেরান বাঁহাতি এই পেসার। শেষের দিকে ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলিকেও নিজের শিকার বানিয়েছেন তিনি।
সর্বশেষ ৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এবারই প্রথম কোহলিকে আউট করতে পেরেছে পাকিস্তানের বোলাররা। যদিও কোহলির হাফ সেঞ্চুরিতেই ১৫১ রানের পুঁজি পেয়েছিল ভারত। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাবর আর রিজওয়ানের দারুণ একটি ব্যাটিং করে পাকিস্তান দলকে ১০ উইকেটের সুন্দর জয়টি এনে দেন।
যা মেনে নিতে পারছে না ভারতের গণমাধ্যমগুলো। তাদের এমন কাণ্ডে সমালোচনা করে শোয়েব বলেন, ‘ভারতের গণমাধ্যমগুলো কেন এমন করে যে তাদের দল একটি ম্যাচও হারতে পারে না। এটা ক্রিকেট খেলা। পাকিস্তান ভারতকে বড় ব্যবধানে হারিয়েছে। এটা পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও হতে পারে। এটাই খেলার সৌন্দর্য।’
পাকিস্তানের কাছে হারলেও ভারত এখনও ফাইনালে উঠতে পারে বলে মনে করেন শোয়েব। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি ভারত এখনও ফাইনালে যেতে পারে। বিশ্বকাপে আমি আবারও ভারত-পাকিস্তানের পুনরাবৃত্তি ম্যাচ দেখতে চাই। এটা কঠিন তবে তাদের এই সামর্থ্য রয়েছে।’

আইপিএল এর নতুন দুইদল

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) এবারের আসর হবে ১০ দলের। এমন খবর আগেই নিশ্চিত করেছিল বোর্ড অফ কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই)। আইপিএলের

আইপিএল image collected and edited for reuse
আইপিএল এর এই ট্রফির জন্য খেলবে আরো দুইটি দল

এবারের আসর মাঠে গড়ানোর মাস কয়েক আগে নতুন দুই দলের নাম ঘোষণা করেছে তারা।
যেখানে নতুন দল হিসেবে যুক্ত হয়েছে আহমেদাবাদ ও লখনৌ। এবারের আসরে নতুন করে যুক্ত হওয়া লখনৌ দলের মালিকানায় আরপি সঞ্জীব গোনেকা গ্রুপ এবং আহমেদাবাদের মালিকানায় সিভিসি ক্যাপিটাল।
গত ৩১ আগস্ট টেন্ডারের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র জমা দিতে বলেছিল বিসিসিআই। টেন্ডারে অংশ নিয়েছিল মোট ছয়টি শহর। আহামেদাবাদ, লখনৌ, গোয়াহাটি, ধর্মশালা, ইন্দোরের সঙ্গে ছিল কুত্তাক। যদিও বিড শেষে আইপিএলের নতুন দলে হিসেবে যুক্ত হয়েছে আহমেদাবাদ ও লখনৌ।
দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত নিলাম থেকে দল কেনার জন্য মোট ১০টি কোম্পানি অংশগ্রহণ করেছিল। লখনৌ দলের জন্য ৭ হাজার ৯০ কোটি রুপি বিড করেছিল আরপি সঞ্জীব গোনেকা গ্রুপ। যা এইবারের আইপিএল এর থেকে বেশি টাকার বিড নিলাম হয়েছে। যার ফলে দল পাওয়ার জন্য তাদের বেশি বেগ পেতে হয়নি
এদিকে আহমেদাবাদের জন্য সিভিসি ক্যাপিটাল ৫ হাজার ৬২৫ কোটি রুপি বিড করেছিল। আইপিএলের এবারের আসরে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মালিক দল কেনার আগ্রহ প্রকাশ করলেও তারা ৫ হাজার কোটি রুপিও বিড করেনি। তাতে বিড করেও দল পাওয়া হয়নি তাদের। এদিকে লখনৌ দলের মালিকানা পেয়ে বেশি উচ্ছ্বসিত সঞ্জীব গোনেকা। দল পাওয়ার পর তিনি বলেন, ‘আইপিএলে ফেরাটা ভালো ব্যাপার এবং আমি আনন্দিত। এটা আমাদের একটি প্রাথমিক ধাপ। এখন আমরা ভালো দল গঠন করার চেষ্টা করব এবং পারফর্ম করব।’

আরো জানুন:

হযরতউল্লাহ জাজাই, রহমানুল্লাহ গুরবাজ এবং নাজিবুল্লাহ জাদরানের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ১৯০ রানের বড় সংগ্রহ পেয়েছিল আফগানিস্তান। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় স্কটল্যান্ড। মুলত দুই স্পিনার রশিদ খান ও মুজিব উর রহমানের দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ৬০ রানে অল আউট হয় স্কটিশরা। তাতে ১৩০ রানের বড় জয়ে

আফগানিস্তান দল image collected and edited for reuse
আফগানিস্তান দল

ভারত-পাকিস্তানের পর বিশ্বকাপ মিশন শুরু করল মোহাম্মদ নবির দল।
জয়ের জন্য ১৯১ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আফগানিস্তান স্পিনারদের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে স্কটল্যান্ডের ব্যাটাররা। কাইল কোয়েটজার ও জর্জ মানজি আক্রমণাত্বক শুরুর আভাস দিলেও সেটা কাজে আসেনি। চতুর্থ ওভারে কোয়েটজারকে সাজঘরে ফিরিয়ে আফগানদের প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন মুজিব।
সেই ওভারের বাকি চার বলের মাঝে ফেরেন কলাম ম্যাকলয়েড ও রিচি বেরিংটন। তারা দুজনই প্যাভিলিয়নের পথে হেঁটেছেন কোন রান না করেই। পরের ওভারে এসে ম্যাথু ক্রসকে আউট করে নাভিন উল হক। উইকেটরক্ষক ব্যাটার ক্রসও ফেরেন শূন্য রানে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসের দ্বিতীয়বারের মতো ৩,৪ এবং ৫ নম্বর ব্যাটার শূন্য রানে আউট হয়েছেন। এর আগে ২০১৪ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একই কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, রস টেলর ও জিমি নিশাম। মার্ক ওয়াটকে এদিকে ফিরিয়ে দিয়ে ৫ উইকেট পূর্ন করে থাকেন মুজিব আর তিনি ২০ রান দিয়েছেন।
এদিন লেগ স্পিনার রশিদও ছিলেন দুর্দান্ত। ২.২ ওভার বোলিং করে মাত্র ৯ রানে ৪ উইকেট তুলে নিয়েছেন তিনি। মিচেল লিস্ক এর সাথে জস ডেভি,ক্রিস্টেফার গ্রিভস আর ব্রাডলিকে সাজঘরে পাঠিয়েছেন বর্তমান সময়ের একজন সেরা লেগ স্পিনার।এই দুজন স্পিনার এর দাপটে স্কটল্যান্ডকে ৬০ রানের মধ্যে অল আউট হয়ে জায় আর ১৩০ রানের সুন্দর জয় তুলে নেয় আফগানিস্তান।
এর আগে টসে জিতে ব্যাটিং করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৯০ রান তোলে আফগানিস্তান। যেখানে জাজাই ৪৪, গুরবাজ ৪৬, নাজিবুল্লাহ ৫৯ এবং মোহাম্মদ শাহজাদ করেছেন ২২ রান। স্কটিশদের হয়ে শারিফ দুটি উইকেট নিয়েছেন।

খেলাধুলা সম্পর্কে আরো জানুন :

প্রথম আলো : ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের জয় উদ্‌যাপন করায় কাশ্মীরে শিক্ষার্থী আটক

আমাদের সাথে যোগাযোগ